প্রতিবছরই ঈদের আগেরদিন থেকেই বান্দরবান শহরে হোটেল মোটেল আগাম বুকিং থাকে। এ বছরও কোরবানির ঈদের টানা ছুটির সুযোগে হোটেল মোটেলগুলোতে আশানুরূপ বুকিং ছিল এবং পর্যটকদের ভিড় বাড়ে ক্রমেই।
পর্যটন ব্যবসায়ীরা জানান, ঈদের ছুটিতে পর্যটকদের ঢল নামায় আনন্দ ও উল্লাস দেখা দিয়েছে সর্বত্রই। বিনোদনের জন্যে পর্যটকরা মেঘলায় ঝুলন্ত সেতু, নীলাচল, নীলগিরি মেঘলার চিড়িয়াখানা, রামজাদি, বগালেক, শৈল প্রভাত, নাফাখুমসহ বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্র ব্যবহার করছেন। প্রতিবছর দুই ঈদের টানা বন্ধে এসব বিনোদন কেন্দ্রে মানুষের আগমন ঘটে বেশি। পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে হোটেল মোটেলগুলোতে প্রায় সবগুলো কক্ষ এখন পর্যটকে ভরা। প্রায় ১৫দিন পর্যন্ত জেলার আবাসিক হোটেল ও গেস্ট হাউসগুলোতে পর্যটকদের ভিড় থাকবে।
হোটেল মোটেল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম বলেন, এবার ঈদে আগেরদিন থেকেই বান্দরবানে পর্যটকরা আসতে শুরু করেছেন। তারা ভ্রমণে আসা পর্যটকদের জন্য বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা প্রদান করছেন। দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকায় এবারের ঈদের টানা ছুটিতে পর্যটকদের পদচারণায় জেলা শহর কার্যত মুখরিত হয়ে উঠেছে।
জেলা প্রশাসক দিলীপ কুমার বণিক জানিয়েছেন, জেলা শহরের অদূরে মেঘলা পর্যটন কেন্দ্র , নীলাচল ছাড়াও জেলায় প্রবেশদ্বারের কাছে হলুদিয়া এলাকার পর্যটন কেন্দ্র প্রান্তিকলেককে সাজানো হয়েছে। অচিরেই চিম্বুক পর্যটন এলাকাকেও সাজানো হবে। পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, হোটেল মোটেল এবং গাড়ি ব্যবহারের ক্ষেত্রে যাতে করে অতিরিক্ত অর্থ ও ভাড়া আদায় না করা হয়, সেলক্ষ্যে বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে।
COMMENTS