অভিনয়ে আসি। পরিচয়ের এক যুগের বেশি সময় স্যারের সঙ্গে কাজ করেছি। এই দীর্ঘ সময়টুকুতে স্যার আমাকে অনেক ভালোবাসা, অনেক স্নেহ দিয়েছেন। তার প্রমাণ আমি প্রতি মুহূর্তেই পেয়েছি। প্রত্যেকটি দায়িত্বপূর্ণ কাজে তিনি আমার ওপর ভরসা করতেন অনেক বেশি। হুমায়ূন স্যারের একেকটা নাটক আমার কাছে ঈদের মতো ছিল। এখন তো প্রায়ই কোনো না কোনো নাটক, চলচ্চিত্রের শুটিং করছি। কিন্তু সে রকম কিছুই মনে হয় না। কাজের মধ্যে কোনো আনন্দ নেই। সেনাপতি যখন উৎফুল্ল থাকে, কাজে মনোযোগী থাকে তখন সৈন্যরা তো মনোযোগী হতে বাধ্য। এখন সেনাপতিরা মরা, তাই আমরা সৈন্যরাও মরা। বিটিভির সেই জনপ্রিয় ‘সবুজ সাথী’ নাটকে অভিনয় করা ডা. এজাজ এখন দীর্ঘ অভিজ্ঞতা অর্জনকারী একজন অভিনেতা। বর্তমানে নাটকের অবস্থা খারাপ হলেও আশাবাদী তিনি। এ প্রসঙ্গে বলেন, অভিনয়টা নেশা হয়ে গেছে বলে করছি। কাজ না করলে ভালো লাগে না। আবার নাটকের অবস্থাটাও তেমন ভালো নয়। তবু আছি। কিছু দর্শক কলকাতার নাটক দেখেন। আসলে তাদের রুচি নিয়ে আমার প্রশ্ন জাগে। এসব ফালতু নাটকের চেয়ে আমাদের নাটকের মান অনেক ভালো। তবে আমি এসব নিয়ে বিচলিত নই। প্রতিদিন অর্ধেক বেলা শুটিং শেষ করেই ঢাকার অদূরে গাজীপুর চৌরাস্তায় একটি চেম্বারে বসে রোগী দেখেন ডা. এজাজ। অন্য ডাক্তাররা ৬০০ টাকা ফি আদায় করলেও তিনি সেটার অর্ধেক ফি’তে রোগী দেখেন। তাছাড়া অনেকের কাছ থেকে ২০০ টাকা কিংবা বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দিয়ে থাকেন জনপ্রিয় এ অভিনেতা। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমাকে অনেকে গরিবের ডাক্তার বলেও ডাকেন। কোনো রোগীকে বাধ্য করে ফি আদায় করি না। ৩০০ টাকা ফি হলেও অনেককে ফ্রি চিকিৎসা দেই।
COMMENTS